1. bvoicenews24@gmail.com : bvoice24 :
বিএনপি নেতার সহযোগিতায় কাপ্তাই রাস্তার মাথায় চলছে প্রকাশ্যে মাদক বাণিজ্য - bvoice24
১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| বিকাল ৩:১২|
শিরোনামঃ
বর্ণিল আয়োজনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন বিএনপি নেতার সহযোগিতায় কাপ্তাই রাস্তার মাথায় চলছে প্রকাশ্যে মাদক বাণিজ্য বোয়ালখালীর কবিয়াল রমেশ শীলের বাড়িতে বাসন্তী পূজার বর্ণাঢ্য সূচনা স্বামীর সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ! গ্রেপ্তার দুই দুর্নীতি প্রতিরোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস’ বা ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ার হুমকী ট্রাম্পের দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হজরত শাহ আমানত খান (রহ:) দরগাহ শরিফে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পাহাড়তলী থানার এস আই হাবিবের দৈনিক আয় ৫ লক্ষ টাকা! পাহাড়তলী থানার এস আই হাবিবের দৈনিক আয় ৫ লক্ষ টাকা!

বিএনপি নেতার সহযোগিতায় কাপ্তাই রাস্তার মাথায় চলছে প্রকাশ্যে মাদক বাণিজ্য

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪০ Time View

চট্টগ্রাম নগরীর প্রবেশদ্বার চান্দগাঁওয়ের রাস্তার মাথা এলাকাটি আবারও পরিণত হয়েছে অপরাধের অভয়ারণ্যে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন চৌধুরীর মদতে প্রকাশ্যে ইয়াবা বানিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন ইয়াবা সম্রাট হোসাইন

চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, জুয়া, ছিনতাই ও অপহরণের অভিযোগে বহুবার গ্রেপ্তার হওয়া কুখ্যাত অপরাধী মো. আবুল হোসেন ওরফে ‘ইয়াবা হোসেন’ আবারো বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। এমনটাই বলছেন স্থানীয়রা।

সিএনজি চালক থেকে ‘গডফাদার’রাঙ্গুনিয়ার মরিয়মনগরের দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা আবুল হোসেন একসময় ছিলেন সিএনজি চালক। কিন্তু দ্রুতই জড়িয়ে পড়েন অপরাধ জগতে। চান্দগাঁও থানার মোহরা কাপ্তাই রাস্তার মাথায় সিএনজি লাইনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শুরু করেন টোকেন বাণিজ্যের নামে চাঁদাবাজি।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রায় ৩ হাজার সিএনজি অটোরিকশা থেকে মাসে ৫০–৬০ লাখ টাকা আদায় করত তার নেতৃত্বাধীন চক্র। বছরের পর বছর এই অবৈধ বাণিজ্যের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়েছে।
মাদক ও জুয়ার আসর: প্রকাশ্যেই চলছে বাণিজ্যটোকেন বাণিজ্যের পাশাপাশি রাস্তার মাথার রেলবিট সংলগ্ন একটি গ্যারেজে গড়ে তোলা হয় মাদক ও জুয়ার আসর। সেখানে কৌশলে ধনী ব্যক্তিদের আটকে রেখে মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।
বর্তমানে অভিযোগ আরও ভয়াবহ—বাহির সিগনাল থেকে রাস্তার মাথা মোড় পর্যন্ত রেললাইনের পাশে বসেই প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করছে তার নিয়ন্ত্রিত চক্র।
১৭ মামলার আসামি, তবুও সক্রিয়চান্দগাঁও, কোতোয়ালি ও রাউজান থানায় আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে রয়েছে অন্তত ১৭টি মামলা—যার মধ্যে অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজি ও জুয়ার অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার কারাগারে গেলেও থামেনি তার অপরাধ কার্যক্রম।

২০২৬ সালের ২৩ জানুয়ারি মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পরও জামিনে বেরিয়ে এসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি।

রাজনৈতিক ছত্রছায়ার অভিযোগস্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রভাবশালী নেতাদের আশ্রয়ে থেকে অপরাধ চালালেও সরকার পতনের পর কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন হোসেন। কিন্তু বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছেন।

বিশেষ করে মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক ইকবাল উর রহমান চৌধুরী-এর ছত্রছায়ায় থেকেই তিনি পুনরায় সংগঠিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন ইকবাল চৌধুরী। তিনি বলেন, “হোসেনকে আমি চিনি, তবে সে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল। তার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সে বর্তমানে ওই এলাকায়ও থাকে না।”

প্রশাসনের ‘অজ্ঞতা’ প্রশ্নবিদ্ধচান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দাবি করেছেন, ওই এলাকায় নিয়মিত মাদক বিক্রির বিষয়টি তার জানা নেই। তবে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—যেখানে প্রকাশ্যে রেললাইনের পাশে বসে মাদক বিক্রি হচ্ছে, সেখানে পুলিশের ‘না জানা’ কি বিশ্বাসযোগ্য?

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপরাধ দমনে কঠোর নির্দেশনা দিলেও, চান্দগাঁওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় কীভাবে একজন চিহ্নিত অপরাধী প্রকাশ্যে মাদক সাম্রাজ্য চালায়? এটা কি প্রশাসনিক ব্যর্থতা, নাকি প্রভাবশালীদের নীরব আশ্রয়?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2026